Posts

রূপান্তরে বৈচিত্র্য জীবন

রুপান্তরে বৈচিত্র্য জীবন মোহাম্মদ মুছা তুমি আসবে, তাই বলে ঝিনুকের বুক ছিঁড়ে মুক্তা লুটতে পারেনি, রূদ্র-মেঘের লুকোচুরি প্রান্তর আমায় ডেকেছে পলাশ শিউলির মোহে তপ্ততা সয়েছি অবরুদ্ধ প্রেমে, বর্ষার প্রলুব্ধ মেঘালয় মনোরাজ্য ফাটল ধরাতে পারেনি শ্রাবনের অঝোরে প্রত্যাশার লোভনীয় রিমঝিমে নির্ঘুম নিশি পরাস্ত করেছে বহুবার, তবুও ঘুরে দাঁড়িয়েছি;  ভাদ্রের শুভ্র শুদ্র মেঘ অবিরাম বয়ে চলেছে থামতে বলেনি! কাশফুল পদ্ম শালুক হাতছানি দিয়ে নিরুক্তির উক্তির বাহানা এঁটেছে, তানিয়া(রাজকুমারী) আমায়  রাজ্য বিহীন আসনে নিধিরাম সর্দারে ভূষিত করেছে, রক্তকরবী নির্গন্ধে সুবাসিত আসক্ত করে মাতাল হাওয়াই মাওনা প্রভা দ্বিখণ্ডিত করেছে, আসন্ন কুয়াশার বুকে টেনে নিবে বলে হিমেল অনুভূতি চাদরে মুড়িয়ে নিস্তব্ধ আকাশ ছুয়েছি বাষ্পীয় প্রেমে, তবুও আক্ষেপ মরি ঝিনুকের বুক ছিঁড়ে মুক্তার মালা গলায় পড়েনি বলে, তবুও,  আমি প্রেম ভিখারি!

প্রচ্ছদ বিহীন কাব্য

 প্রচ্ছদ বিহীন কাব্য  মোহাম্মদ মুছা  মোহটা কেটে যাক ক্ষমা চেয়ে নিবো আর যদি নাই-বা কাটে ক্ষমা করে দিও, প্রিয় অন্তরে ক্ষতটা দেখেনি কেহ, তুমিও না আমি'তো দেখেছি স্বয়ং ধৃষ্টতার দ্রোহে, প্রান্তরে ফেলে আসা মোড়ানো স্মৃতি; ফিরেছে আপন গৃহে  আমি আর আমি রইলাম কই! মুলি-দারু বারংবার শূন্যর উপর ভাসায় নগ্ন হৃদয় অগোচরে লজ্জায় কাঁদে, নগ্ন হৃদয় কি জানি কি খোঁজে সহস্রবার লুটে পড়েছি,  এইবার না-হয় ক্ষমা করো, ফিরে আসো মুছে দাও স্মৃতি, প্রেম, অভিলাষ

নিঃসঙ্গ ভাবনা

 নিঃসঙ্গ ভাবনা মোহাম্মদ  মুছা  দু’চোখে ঘুম নেই রাত হলো আজি কাল  এই বুঝি ভোর হলো অপেক্ষায় মন উতাল, দেয়ালেতে ঝুলে আছে আধমরা বেহায়া ঘড়ি উল্টো পথে চলছে যেন তার সাথে মোর আড়ি, চাঁদের সাথে দ্বন্দ্ব কিসের থমকে সে-ও আছে ইচ্ছে করে আকাশ হতে দিতে তারে মুছে, পাখপাখালির ঘুম ভাঙেনা ক্ষোভ জানিনা তাদের তারা-ও কি মুখিয়ে আছে ; তীব্র প্রতিশোধের? ভুলটা আমার মায়ার জালে আটকে কেন গেলাম নীলঞ্জনার ছলনাতে আঁধার খুঁজে নিলাম।

রাজ্য বিনাশ

 রাজ্য বিনাশ  মোহাম্মদ মুছা  পদ্মমধু খেয়ে সাধু বনেছো আজ মহাজন বেল পাকিলে কাকের কি, জানে তাহা সর্বজন, পরের ধনে পোদ্দারি করছো হেসে খেলে পিটের দন্ড আটি হবে আমজনতার কিলে, জিহ্বা দিয়ে লালা ঝরে চেটেপুটে খাইতে বিঁধলে যবে গলায় কাটা পারবে কি'তা সইতে? বন্দী ছিলো খাঁচায় শুকুন শিকল হায়েনার গলে মাশুল তোমায় দিতে হবে যেয়ে নাকো ভুলে, আমজনতার পিট ঠেকেছে পোড়া মাটির দেয়ালে আসবে আঘাত,সব-কটি দাঁত রইবে না তুর চোয়ালে,

জেব্রা ক্রসিং

 জেব্রা ক্রসিং মোহাম্মদ মুছা  এটি যদি আমার শেষ কবিতা হয়  তাহলে লিখে গেলাম- রক্তের বন্যায় ভাসতে থাকা কপালপোড়া মা জননী পৃথিবীর কোন সভ্যতা শতবছর বন্যায় ডুবে থাকেনি, যে বাঁধ ভেঙে নেমেছে ঢল সেই বাঁধে'ই নিম্নগামী জল,

প্লাবনের প্রতিঘাত

 প্লাবনের প্রতিঘাত মোহাম্মদ মুছা  আছে কতো লেনাদেনা জগতের এপার ওপার দিতে হবে পাড়ি মোরে অজানা পথ নির্বিকার, শুধিতে হবে দেনা ; পাওনার হিসাব থাক মহাকালের ডাক আসিবে হিসাব কষে রাখ, ক্ষমা করো সুহৃদ মোরে এমন মন্দা কালে বিষন রকম হৃদয় জখম ফুটু নায়ের পালে, স্রোতে কোলে মনের ভুলে নদ হয়নি পার তাই বলে কি থমকে যাবো ত্রিভুবনে ধার, নায়টা আমার কেঁড়ে নিলো প্লাবনের ঝড়ে দুঃখ আমার সঙ্গী হলো বারো মাসটা জুড়ে, তাতে বুঝি হলো আমার মহাসাগর চেনা নায়ের বদল সাঁতার কেড়ে স্বপ্ন হবে বোনা,

অর্জন বিসর্জনে

 অর্জন বিসর্জনে মোহাম্মদ মুছা  চারিদিকে বিবেক পোড়া বিভৎস কি গন্ধ  আত্মার সাথে সত্ত্বার চরম নিখুঁত দ্বন্দ্ব, রাজাকার এখন চরম ভাবে সেজেছে দেশদরদী  ভেজাল দুধে বানাই রোজই হাড়ি ভর্তি  দধি, দেশ বাংলার স্বাধীনতায় করছিলো যারা বিরোধ চিত্ত হেসে প্রতিশোধে ঘুমটায় করে প্রমোদ, প্রতিশোধের আগুন নেভায় দরুন ছদ্মবেশে তলে তলে চলছে ভেসে জিন্দাবাদই পোষে, রসাতলে যাবে কবে সোনার বাংলা মুর্দাবাদ ঘরে ঘরে জনে জনে বদ ছড়াবে মৌলবাদ, জেগে আছি থাকবো জেগে জয় বাংলার স্লোগানে জয় বাংলার জয় হয়েছে ত্রিশলক্ষ তাজা প্রানে, হয় প্রান নয় ধান কোনটা নিবি কেড়ে অত সহজে যাচ্ছি না'তো সোনার ছেড়ে।  জয় বাংলা,