Posts

অতৃপ্ত বাসনা

 অতৃপ্ত বাসনা মোহাম্মদ মুছা হৃদপিণ্ড ছিঁড়ে তোমার ফুলদানিতে রেখে আসি? অহেতুক কথার কথার নয়, ভালোবাসা আর মায়া একই ধারে প্রবাহিত হলে ঘুর্ণিমান পৃথিবী স্থির করা যায়, উল্কাপিণ্ড মুষ্টিবদ্ধ করে রাখা যায়, যুদ্ধ জয়ে বীর উপাধি বাহুর লীলা, মনের লীলা প্রিয়সীকে আত্মসাৎ করা আমি আর তুমি মহাকাশের অভিযাত্রী নয়, দেখা হবে ভুবনের অজানা কোন প্রান্তে অবিরত নিসৃত বিষাক্ত নিঃশ্বাস তোমাতে ছুঁয়ে যাবে, দিকবিদিক শুন্য কেবল শুন্যই রবে, তোমার ধিক্কার আমি মাথা পেতে নিবো অতঃপর তোমায় নিয়ে ফিরবো আমার কাননে,

কালের বিবর্তন

 কালের বিবর্তন  মোহাম্মদ মুছা ভাবতে হবে নিজেকে নিয়ে,  এইভাবে এই যুগে চলে না পরিপাটি পরিবর্তন সময়ের দাবী, তোষামোদি কর করতে হবে যোগ্যতা তোমার আছে ঠিকই  তোমাকে বাছ-বিচার করার ক্ষমতা তাদের নেই, সেটি তাদের পারদর্শিতা, আর তোমার ব্যর্থতা। আর তুমি সেইকেলে  বাজারে মূল্য ততোটা নেই,  তুমি ভাব'ছো  পরিবর্তন হবেই, হয়েছে তো, শতাব্দীর ব্যবধানে, অপেক্ষায় থাকো আরেকটা বিপ্লবের! ভাবছো'টা কি? আয়ু!  না, তা ভুল  মরোন্তোর বাহ্ বা পাবেই  পুষ্পমালার পাহাড় হবে অন্তিম যাত্রায়, ভেবে দেখো নিষ্ঠার পুরুষ্কার এটাই ; এটাই জগৎ, এটাই ক্ষেত্র, এটাই আর্শিবাদ, পেছনে থাকালে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা, এগিয়ে চলো নির্লজ্জতা সঙ্গী করে  তাহলেই তুমি পারবে, না হয় স্বপ্ন'ই বিভোর থাকো দেখবে একদিন তুমি নিঃবস্ত্র, অনেকটা উলঙ্গ মাজা ধসে; দু'হাতে প্যান্টের ভারসাম্য রক্ষায় অবিচল সংগ্রামে ন্যাস্ত!

তোকে ভিষণ খুঁজতে ইচ্ছে করে

 তোকে ভিষণ খুঁজতে ইচ্ছে করে মোহাম্মদ মুছা তোকে ভিষণ খুঁজতে ইচ্ছে করে, ব্যাকুল হয়ে শূন্যের মাঝে থমকে থাকি এইভাবে আর কত দিন; প্রেমের সাথে মনের লড়াই।  ন্যায্যতা বলতে তোকে দূরে রাখা অন্যায় ভালোবাসার অভিধান তাই বলে,  সর্বস্বান্ত হয়ে এখন আমি নিরুপায় তোকে লুটে পৃথিবীকে ধ্বংস করতে চাই বিরহের দোয়ারে সভ্যতা আতিশয্য বেমানান   তোকে ভিষণ খুঁজতে ইচ্ছে করে,

জাগো

 জাগো মোহাম্মদ মুছা সমাজটা আজ রসাতলে হায় হায় করে সব বাহুর বলে সবি চলে এখন এটাই গৌরব,  বীরেরা সব ঘুঙুর করে; ঘরে কোণে বসে বর্ণচোরা লাট হয়েছে জাত গেলোরে মিশে, দাদা গিরির বাড় বেড়েছে অসৎ লোকের ছায়ায় চুনোপুঁটি শৈল হয়েছে ব্যাঙে বাজায় সানাই, কারো রে ভাই দায় পড়েনি চাবুক হাতে নিতে ঠাকুর ঘরের কলা খেতে গাড় ছেপেছে ভূতে, এমন বেলায় দু’পা দোলায় তালে যারা চলো আমজনতার ঘোর কাটিলে পালাবে কোথায় বলো? হাতছানি দেয় অমাবস্যা আঁধার সন্নিকটে  বিপ্লবীরা এক হলে ভাই মরুতেও ঢেউ উঠে।

বদলে যাবে দিন পঞ্জিকা

 বদলে যাবে দিন-পঞ্জিকা  মোহাম্মদ মুছা  পুরাতনকে বিদায় দিয়ে  করবো নতুন বরন হৈ-হুল্লোড়ে সাজ গোজিয়ে চলবে কতো মহারন, ভূলে গিয়ে হানাহানি  রইবো সবাই মিলেমিশে  নয়তো অতীত টানাটানি  খুঁজবো নতুন দিশে, এমন বানী সবার মুখে আজি মিলবে অহরহ   একটা দিনের ব্যবধানে  রাখবেনা কথা কেহ, বিধায় কিংবা বরণ বলি তাতে করি পন দিন বদলের মুখে কলি বদলায় না তো মন ;  বদলে যাবে দিন-পঞ্জিকা  এর চাইতে বেশি কিছুতো নয় স্বাদের জীবন হয় জটিকা ভাবনাটা; ভাবনা হয়েই রয়!

অতল মোহ

 অতল মোহ মোহাম্মদ মুছা ফিরে ফিরে আসো স্বপনে মোর বারবার ভুবন আমার নিমিষেই হয়ে যায় ছারখার প্রেম বিরহের কামনায় মরি আমি  যাতনায়  ছুঁয়ে ছুঁয়ে তোমায় পতিত হয়ে কোমায়,  বুকের মাঝে কেবল অবিরাম অবিচল স্পন্দন শুনেনা কেহ নিবৃত্তের নিদারুণ স্তব্ধ ক্রন্দন তরঙ্গ বিহীন অচল আজি মোর দেহ কাটেনি তবুও লোলুপ হৃদয়ে তোমার মোহ ।

নীরব ঘাতক

 নীরব ঘাতক মোহাম্মদ মুছা শহীদের রক্ত নিয়ে তারা রং তামাশা করে এরা নব্য রাজাকার, মুক্তকণ্ঠে মুক্ত হাওয়ায় সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়  এরা নব্য রাজাকার, ঘুনে ধরা চেতনায় এরা আসক্ত এরা নব্য রাজাকার এরা হিংসুটে হীনমন্যতায় ভুগছে এরা নব্য রাজাকার, অপশিক্ষা বিকৃত ইতিহাস এদের সম্বল এরা নব্য রাজাকার গুজবে শক্তিতে ওরা বলিয়ান, এরা নব্য রাজাকার, নীরব ঘাতক এরা রদ্রে রদ্রে ঘাপটি মেরে আছে  এরা নব্য রাজাকার, খুঁড়ে খুঁড়ে নিঃশেষ করছে লাল সবুজের অর্জন এরা নব্য রাজাকার, এদের অন্তরজ্বালা মুক্ত বাংলা কেন দূর্বার  এরা নব্য রাজাকার, গর্জে ওঠো একাত্তরের চেতনায় বাংলার বুকে যেন আঁচড় না লাগে নব্য রাজাকারের থাবায়।  জয় বাংলা