Posts

জাগো

 জাগো মোহাম্মদ মুছা সমাজটা আজ রসাতলে হায় হায় করে সব বাহুর বলে সবি চলে এখন এটাই গৌরব,  বীরেরা সব ঘুঙুর করে; ঘরে কোণে বসে বর্ণচোরা লাট হয়েছে জাত গেলোরে মিশে, দাদা গিরির বাড় বেড়েছে অসৎ লোকের ছায়ায় চুনোপুঁটি শৈল হয়েছে ব্যাঙে বাজায় সানাই, কারো রে ভাই দায় পড়েনি চাবুক হাতে নিতে ঠাকুর ঘরের কলা খেতে গাড় ছেপেছে ভূতে, এমন বেলায় দু’পা দোলায় তালে যারা চলো আমজনতার ঘোর কাটিলে পালাবে কোথায় বলো? হাতছানি দেয় অমাবস্যা আঁধার সন্নিকটে  বিপ্লবীরা এক হলে ভাই মরুতেও ঢেউ উঠে।

বদলে যাবে দিন পঞ্জিকা

 বদলে যাবে দিন-পঞ্জিকা  মোহাম্মদ মুছা  পুরাতনকে বিদায় দিয়ে  করবো নতুন বরন হৈ-হুল্লোড়ে সাজ গোজিয়ে চলবে কতো মহারন, ভূলে গিয়ে হানাহানি  রইবো সবাই মিলেমিশে  নয়তো অতীত টানাটানি  খুঁজবো নতুন দিশে, এমন বানী সবার মুখে আজি মিলবে অহরহ   একটা দিনের ব্যবধানে  রাখবেনা কথা কেহ, বিধায় কিংবা বরণ বলি তাতে করি পন দিন বদলের মুখে কলি বদলায় না তো মন ;  বদলে যাবে দিন-পঞ্জিকা  এর চাইতে বেশি কিছুতো নয় স্বাদের জীবন হয় জটিকা ভাবনাটা; ভাবনা হয়েই রয়!

অতল মোহ

 অতল মোহ মোহাম্মদ মুছা ফিরে ফিরে আসো স্বপনে মোর বারবার ভুবন আমার নিমিষেই হয়ে যায় ছারখার প্রেম বিরহের কামনায় মরি আমি  যাতনায়  ছুঁয়ে ছুঁয়ে তোমায় পতিত হয়ে কোমায়,  বুকের মাঝে কেবল অবিরাম অবিচল স্পন্দন শুনেনা কেহ নিবৃত্তের নিদারুণ স্তব্ধ ক্রন্দন তরঙ্গ বিহীন অচল আজি মোর দেহ কাটেনি তবুও লোলুপ হৃদয়ে তোমার মোহ ।

নীরব ঘাতক

 নীরব ঘাতক মোহাম্মদ মুছা শহীদের রক্ত নিয়ে তারা রং তামাশা করে এরা নব্য রাজাকার, মুক্তকণ্ঠে মুক্ত হাওয়ায় সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়  এরা নব্য রাজাকার, ঘুনে ধরা চেতনায় এরা আসক্ত এরা নব্য রাজাকার এরা হিংসুটে হীনমন্যতায় ভুগছে এরা নব্য রাজাকার, অপশিক্ষা বিকৃত ইতিহাস এদের সম্বল এরা নব্য রাজাকার গুজবে শক্তিতে ওরা বলিয়ান, এরা নব্য রাজাকার, নীরব ঘাতক এরা রদ্রে রদ্রে ঘাপটি মেরে আছে  এরা নব্য রাজাকার, খুঁড়ে খুঁড়ে নিঃশেষ করছে লাল সবুজের অর্জন এরা নব্য রাজাকার, এদের অন্তরজ্বালা মুক্ত বাংলা কেন দূর্বার  এরা নব্য রাজাকার, গর্জে ওঠো একাত্তরের চেতনায় বাংলার বুকে যেন আঁচড় না লাগে নব্য রাজাকারের থাবায়।  জয় বাংলা

তুমি প্রলুব্ধকারিনী

 তুমি প্রলুব্ধকারিনী মোহাম্মদ মুছা তুমি প্রলুব্ধকারিনী, ক্ষুব্ধ ঢেউয়ে টেনেহিঁচড়ে অতলে তলিয়ে যাওয়া আমি ভেলারোহী নই তুমি গভীরে আছো বলে আমি চির অপরাধী  তুমি প্রলুব্ধকারিনী, হাজারো জোতিস্কো,গ্রহ,উপগ্রহে খুঁজতে খুঁজতে তোমায়: বেলা আজ অবেলা আমি থামিনি বলে  আমি চির অপরাধী!

তপ্ত স্নাত

 তপ্ত স্নাত মোহাম্মদ মুছা  আমার দখলে তোমার চারিপাশ তোমার প্রতিটা নিঃশ্বাস আমায় জ্বলসে দেয়  শ্রান্ত ক্লান্ত অনুভূতি গুলোও টকবক টকবক করে শিরায় শিরায় তপ্ত রোদ্রের মতো দাহ করে পুরো অঙ্গে তখন আমি আপ্লূত তখন আমি সিক্ত স্নিগ্ধ ব্যথাগুলো মিশে যায় বাতাসে, বেদনা ভালোবাসার এপিট ওপিঠ তাই বলেতো আজো অপেক্ষায় তোমার চারপাশ জুড়ে গড়ে তোলা আমার প্রাচীর তুমি ভাঙতে পারবে না না কখনো না, আরো বহুকাল জ্বলসে থাকলেও তোমার নিঃশ্বাস অঙ্গে মাখাবো ভালোসার দাবীতে, নির্মল প্রশ্বাস যখন তোমায় ছুঁয়ে দিবে, তখন তুমি ফিরবে আমার হয়ে, কেবল আমার হয়ে,

বিলম্ব প্রসূতি

 বিলম্ব প্রসূতি মোহাম্মদ মুছা  যাক এই বছর কেটে যাক থেকে যাক কিছু দাগ,  না পাওয়ার আকুতি ব্যকুতি, আমি না হয় থাকিবো আজীবন প্রসূতি! স্বপন গর্বে স্বপ্ন গর্ভে যাতনা বেচিবো অতিব সুলভে, খরিদ্দার নির্বার আসে যায় বারবার মূল্যহীন আমি দরাদরি বারবার! বাবাজান দোয়া দেন আরেকবার হয় যেন বেচে-কেনা আগামী হাটবার,