Posts

প্লাবনের প্রতিঘাত

 প্লাবনের প্রতিঘাত মোহাম্মদ মুছা  আছে কতো লেনাদেনা জগতের এপার ওপার দিতে হবে পাড়ি মোরে অজানা পথ নির্বিকার, শুধিতে হবে দেনা ; পাওনার হিসাব থাক মহাকালের ডাক আসিবে হিসাব কষে রাখ, ক্ষমা করো সুহৃদ মোরে এমন মন্দা কালে বিষন রকম হৃদয় জখম ফুটু নায়ের পালে, স্রোতে কোলে মনের ভুলে নদ হয়নি পার তাই বলে কি থমকে যাবো ত্রিভুবনে ধার, নায়টা আমার কেঁড়ে নিলো প্লাবনের ঝড়ে দুঃখ আমার সঙ্গী হলো বারো মাসটা জুড়ে, তাতে বুঝি হলো আমার মহাসাগর চেনা নায়ের বদল সাঁতার কেড়ে স্বপ্ন হবে বোনা,

অর্জন বিসর্জনে

 অর্জন বিসর্জনে মোহাম্মদ মুছা  চারিদিকে বিবেক পোড়া বিভৎস কি গন্ধ  আত্মার সাথে সত্ত্বার চরম নিখুঁত দ্বন্দ্ব, রাজাকার এখন চরম ভাবে সেজেছে দেশদরদী  ভেজাল দুধে বানাই রোজই হাড়ি ভর্তি  দধি, দেশ বাংলার স্বাধীনতায় করছিলো যারা বিরোধ চিত্ত হেসে প্রতিশোধে ঘুমটায় করে প্রমোদ, প্রতিশোধের আগুন নেভায় দরুন ছদ্মবেশে তলে তলে চলছে ভেসে জিন্দাবাদই পোষে, রসাতলে যাবে কবে সোনার বাংলা মুর্দাবাদ ঘরে ঘরে জনে জনে বদ ছড়াবে মৌলবাদ, জেগে আছি থাকবো জেগে জয় বাংলার স্লোগানে জয় বাংলার জয় হয়েছে ত্রিশলক্ষ তাজা প্রানে, হয় প্রান নয় ধান কোনটা নিবি কেড়ে অত সহজে যাচ্ছি না'তো সোনার ছেড়ে।  জয় বাংলা,

বিপ্রতীপ

 বিপ্রতীপ মোহাম্মদ মুছা  পাকা ধানে হানা দিলো পঙ্গপালের দল গোলায় ভরা হইলো না আর সোনালি ফসল, কানামাছি ভূ ভূ বর্গী মুচকি হাসে ঘরে ঘরে মঙ্গা হবে রক্ত খাবে চুষে, পঙ্গপালের সেনাপতি মহাজনের নাই'কো জুড়ি  রাক্ষুসে মন শান্ত মশাই আখের গোছায় তড়িঘড়ি,  বন্যা খরা ঝড়-ঝাপটা শত বাঁধা পেরিয়ে  তিলেতিলে গড়া দেশটা বিদ্বেষ দিলো ছড়িয়ে,  জাগো জাগো আমজনতা দেশটা আগে বাচাও থাকতে বেলা ছাড়ো হেলা পঙ্গপালদের তাড়াও।

অন্তর নির্বিকার

 অন্তর নির্বিকার মোহাম্মদ মুছা  স্বপ্নের ঘাড়ে চেপে রাত্রি করি পার প্রভাতে জাগিয়া দেখি অন্তর নির্বিকার, নগর জুড়ে কোলালহল আমি কেবল নিষিদ্ধ  অপরাধের হেতু জানি তাহাতেই আমি প্রলুব্ধ, হৃদয় আমার বাঁধনহারা তারে আজো খুঁজি ভালোবাসি তারে ভিষণ এইতো আমার পুজি, অন্ধকারে বন্দী আমি রুদ্ধ আমার ভুবন যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে সইছি রোজই শোষণ,

বিদায় ঘন্টা

 বিদায় ঘন্টা  মোহাম্মদ মুছা  কুয়ার ব্যাঙ  কুয়ায় লাফায় এতো তাহার জগৎ  বর্ষার জলে ঘরে কোণে  ঘ্যাং ঘ্যাং-ই  কণ্ঠাগত, এইতো গেলো ব্যাঙের গল্প এবার বলি দেশের কথা জারজেরা দল বেঁধেছে  লুন্ঠন করতে একাত্তরের স্বাধীনতা অত সহজ নয়রে জারজ মুখটা লাগাম ধর আমজনতা উঠলে জেগে  মুন্ডু হবে আলাগ ধর, জয় বাংলা ছিলো আগে এখনো তাই আছে লাফালাফি কমাও পিও বিদায় ঘন্টা বাজছে,

প্রত্যার্পন

 প্রত্যার্পন মোহাম্মদ মুছা  কি যেন কি নাই ; আমার এই বুকে হৃদপিণ্ডটা রক্তাক্ত ছিলো, দেখেছি তাহা তবে আলতো করে উপড়ে নিলো, মায়াবী এক আচঁড়ে অনুভবটা মৃত ছিলো এই কেমন হায় খোঁচারে? পিশাচিনী নয় সেই, নয়'তো কোন ডাইনি প্রেম জাগাতে যে এসেছিলো ; সেই মায়াবিনী, বুকে আজো রক্ত ঝরে ক্ষত কেবল বাড়ে হৃদপিণ্ডটা প্রত্যর্পনে ঘুরছি তাহার দ্বারে দ্বারে।

শরতের যাতনা

 শরতের যাতনা মোহাম্মদ মুছা  আমায় যদি নিবৃত্তে রাখতে চাও শরতের কাশফুল তোমার আঁচলে ঢাকো, শুভ্র সাদা মেঘ তোমার পাঁজরে বাঁধো কারন আমি যে উন্মাদ আমি যে বাঁধনহারা, পারবে কি?  নয়তো তুমি ফিরে আসো চলো দুজন শুভ্র সাদা মেঘের শেষ প্রান্তে কাশবনে লুটিয়ে পড়ি, আসবে? যদি বলো না, অতঃপর, আমি আর সইবো না আমি বিপ্লবী হবো অরণ্যে আর গগন বিনাশে।